1. অন্যরকম
  2. অপরাধ বার্তা
  3. অভিমত
  4. আন্তর্জাতিক সংবাদ
  5. ইতিহাস
  6. এডিটরস' পিক
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয় সংবাদ
  9. টেকসই উন্নয়ন
  10. তথ্য প্রযুক্তি
  11. নির্বাচন বার্তা
  12. প্রতিবেদন
  13. প্রবাস বার্তা
  14. ফিচার
  15. বাণিজ্য ও অর্থনীতি

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপে নির্বাচন কমিশন

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম
মঙ্গলবার, ১ আগস্ট, ২০১৭

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সোমবার সুশীল সমাজের সদস্যদের সঙ্গে সংলাপের আয়োজন করেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা সাংবাদিকদের বলেন, ইসির প্রস্তাবিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের অংশ হিসেবে সোমবার সকাল ১১টায় বিভিন্ন স্টেক হোল্ডার ও শুসীল সমাজের সদস্যদের সঙ্গে সংলাপ শুরু হয়ে বিকেলে শেষ হয়। এ সময় সুশীল সমাজের সদস্যরা বেশকিছু পরামর্শ দিয়েছেন। সংবাদ বাসস।

সিইসি বলেন, তাদের পরামর্শগুলো হচ্ছে, নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন, ভোটারদের ভীতি দূর করা, অবৈধ অর্থের ও পেশী শক্তি নিয়ন্ত্রণ করা, নির্বাচনী ব্যয় তিন লাখ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা, ‘না’ ভোট চালু করা এবং নির্বাচনী বুথে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, সংলাপে সুশীল সমাজের সদস্যরা অনলাইনে ভোটার তালিকা প্রকাশ এবং নির্বাচনকালীন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলো নির্বাচন কমিশনের অধিনে রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা সুশীল সমাজের এসব পরামর্শ সরকার ও আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে জানাবো’।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, ‘আমরা প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি বিষয়টিও বিবেচনায় আনবো’।
নির্বাচন কমিশনের উপর জনগণের আস্থা সম্পর্কে হুদা বলেন, ‘নির্বাচন অনুষ্ঠানে সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আমরা পুরোপুরি মনোযোগী হবো। এর আগে অযথা কোন অভিযোগ সম্পর্কে আমরা পদক্ষেপ নিব না।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা সংলাপে সভাপতিত্ব করেন। এ সময় অন্যান্য নির্বাচন কমিশনাররা ও পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নির্বাচন কমিশনের পরিচালক গণসংযোগ এস এম আসাদুজ্জামান বাসসকে বলেছেন, নির্বাচন কমিশন সংলাপে সুশীল সমাজের ৫৯ জন সদস্যকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

আমন্ত্রিত প্রতিনিধিরা হচ্ছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলী খান, এম হাফিজ উদ্দিন খান, এডভোকেট সুলতানা কামাল, আবদুল মুয়িদ চৌধুরী, ডা. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, বেগম রাশেদা কে চৌধুরী, মির্জা আজিজুল ইসলাম, রোকেয়া আফজাল রহমান ও ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। বিচারপতি গোলাম রাব্বানী, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাস উদ্দিন, ব্যারিষ্টার রফিকুল হক, ডা. শাহদিন মালিক, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম, সাবেক সচিব সা’দত হোসেন, সিপিডির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, মেজর জেনারেল (অব.) এস এম শামসুল আরেফিন, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, ড. জামিলুল রেজা চৌধুরী, অধ্যাপক ড. অজয় রায়, ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমেদ, প্রফেসর সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর আবুল বারাকাত, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর চেয়ারম্যান রাহাত খান, কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মুকসুদ, প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক মিজানুর রহমান খান ও টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।


সর্বশেষ - রাজনীতি