1. অন্যরকম
  2. অপরাধ বার্তা
  3. অভিমত
  4. আন্তর্জাতিক সংবাদ
  5. ইতিহাস
  6. এডিটরস' পিক
  7. খেলাধুলা
  8. জাতীয় সংবাদ
  9. টেকসই উন্নয়ন
  10. তথ্য প্রযুক্তি
  11. নির্বাচন বার্তা
  12. প্রতিবেদন
  13. প্রবাস বার্তা
  14. ফিচার
  15. বাণিজ্য ও অর্থনীতি

পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বের শীর্ষস্থানে যাচ্ছে বাংলাদেশ!

বাণিজ্য প্রতিবেদক : ইবার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম
রবিবার, ১৩ মার্চ, ২০২২

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। সম্প্রতি ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও চীনের রপ্তানি বাজারের বাংলাদেশমুখী হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। কম দামি পোশাক থেকে বেড়িয়ে এসে দামি পোশাক উৎপাদনে ঝুঁকছে ব্যবসায়ীরা।
ফ্যাশনসমৃদ্ধ পোশাকের বিশ্ববাজারে চাহিদা এবং দাম বেশি বলে দামি পোশাক উৎপাদনে নতুন প্রজন্মের ব্যবসায়ীদের মাঝেও আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে শীঘ্রই বাংলাদেশ পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষস্থান দখল করতে যাচ্ছে।

বর্তমানে দেশের মোট পোশাক উৎপাদনের মধ্যে অন্তত ৩০ শতাংশ বেশি দামের, যাকে হাই এন্ড ক্যাটাগরির পোশাক বলা হয়।
পোশাক ব্যবসায়ীরা জানান, সাধারণত ৭০ ডলারের বেশি দরের পোশাককে হাই এন্ড, ৩৫ থেকে ৭০ ডলারের মধ্যে হলে গড় এবং ১৫ ডলারের নিচের পোশাককে লো এন্ড বা কম দামের পোশাক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। টি-শার্ট লো এন্ড এবং স্যুট বা ব্লেজার হাই এন্ড পোশাকের প্রান্তিক উদাহরণ। অনেক ক্ষেত্রে ব্র্যান্ডের ওপর নির্ভর করে পণ্যটি কম দামি না বেশি দামি।

বাংলাদেশের মোট উৎপাদনের কম-বেশি ৩০ শতাংশ বেশি দামের পোশাক। বিশ্ববাজারে এ ধরনের মোট পোশাকের মধ্যে মাত্র ১০ শতাংশ উৎপাদন হয় বাংলাদেশে। জাপান, ইতালি ও তুরস্ক বেশি উৎপাদান করে থাকে। টমি হিলফিগার, হুগু বস, মার্কস এন্ড স্পেন্সার, গুসি, পুমা, জারা হাই এন্ড পোশাকের ব্র্যান্ডের উদাহরণ। বিশ্বের দামি ব্র্যান্ডগুলোও এখন এ দেশে আসতে শুরু করছে। ফলে মৌলিক পোশাকের পর আগামীতে এ ধরনের পোশাকেও সম্ভাবনা রয়েছে।

শুরুর দিকে কম দামের মৌলিক পণ্য উৎপাদন করা অনেকে স্যুট, ব্লেজার জ্যাকেটের মতো হাই এন্ডের পোশাক উৎপাদন করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ব পরিস্থিতি বুঝে চীন যেমন পোশাক পণ্যকেই রপ্তানি তালিকা থেকে বাদ দিতে শুরু করেছে, তেমনি বাংলাদেশকেও কম দামের পণ্যের পরিবর্তে বেশি দামের ফ্যাশনেবল পণ্য উৎপাদনে মনোযোগ দিতে হবে। তা না হলে প্রতিযোগিতার বিশ্ববাজারে টিকে থাকা মুশকিল হবে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ তথ্যে দেখা গেছে, গত জানুয়ারি মাসে পোশাক খাতে ৪.০৮ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে। বর্তমান বিনিময় হার (প্রতি ডলার ৮৬ টাকা) হিসাবে টাকার অঙ্কে এই অর্থের পরিমাণ ৩৫ হাজার ১২৭ কোটি টাকা। এই আয় এক মাসের হিসাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি। এর আগে পোশাক রপ্তানি থেকে এক মাসে সর্বোচ্চ আয় ছিল গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে, ৪.০৪ বিলিয়ন ডলার। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে অর্থাৎ জুলাই-জানুয়ারি সময়ে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে ২ হাজার ৯৫৫ কোটি ডলার রপ্তানি আয় করেছেন বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা।


সর্বশেষ - রাজনীতি